<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>New Study Archives - NewsCloud</title>
	<atom:link href="https://www.newscloud.in/bn/tag/new-study-bn/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.newscloud.in/bn/tag/new-study-bn/</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 06 Aug 2025 00:42:47 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.2</generator>

<image>
	<url>https://www.newscloud.in/wp-content/uploads/2023/03/fav-icon-150x150.png</url>
	<title>New Study Archives - NewsCloud</title>
	<link>https://www.newscloud.in/bn/tag/new-study-bn/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বাস্তুতন্ত্রকে ক্রমশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে জিনস! জানাচ্ছে সমীক্ষা</title>
		<link>https://www.newscloud.in/bn/iconic-fashion-item-jeans-causing-heavy-toll-on-environment/</link>
					<comments>https://www.newscloud.in/bn/iconic-fashion-item-jeans-causing-heavy-toll-on-environment/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[NewsCloud Editor]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 May 2023 04:44:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খবর]]></category>
		<category><![CDATA[Environmental Effects]]></category>
		<category><![CDATA[Jeans]]></category>
		<category><![CDATA[New Study]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.newscloud.in/?p=173</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশ্বায়নের দৌলতে ডেনিম স্টাইল স্টেটমেন্টে পরিণত হয়েছে বহুদিন আগেই। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে তার চাহিদা, উৎপাদন, দাম।</p>
<p>The post <a href="https://www.newscloud.in/bn/iconic-fashion-item-jeans-causing-heavy-toll-on-environment/">বাস্তুতন্ত্রকে ক্রমশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে জিনস! জানাচ্ছে সমীক্ষা</a> appeared first on <a href="https://www.newscloud.in/bn/home-bn">NewsCloud</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জিনসের (Jeans) প্যান্ট পরে না, এমন মানুষের সংখ্যা আজ কমে আসছে দ্রুত। বিশ্বায়নের দৌলতে ডেনিম স্টাইল স্টেটমেন্টে পরিণত হয়েছে বহুদিন আগেই। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে তার চাহিদা, উৎপাদন, দাম। অথচ, অধিকাংশ ডেনিম ব্যবহারকারীই অজান্তেই এই ফ্যাশন-বিপ্লব কণ্ঠরোধ করে চলেছে প্রকৃতির (Environment)। হয়ে উঠেছে বাস্তুতন্ত্রের মৃত্যুর কারণ।</p>
<p>হ্যাঁ, এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষকরা। সম্প্রতি প্যারিসের এক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত হয়েছিল একটি বিশেষ প্রদর্শনী। ‘জিনস’-খ্যাত এই প্রদর্শনীদের দেখানো হয়েছে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে বিক্রি হয় ৭০টিরও বেশি জিনসজাত পণ্য। বাৎসরিক হিসাবে সংখ্যাটা দাঁড়ায় প্রায় ২২০ কোটি। জিনসের এই বিপুল পণ্য উৎপাদন কীভাবে প্রকৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে চলেছে প্রতিমুহূর্তে তা-ই তুলে ধরেছিল প্যারিসের প্রদর্শনীটি।</p>
<p>তবে এই প্রদর্শনীর বহু আগে থেকেই জিনসের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করেছিলেন গবেষকরা। হয়েছিল একাধিক সমীক্ষা। সেখানে উঠে এসেছিল একটি জিনসের প্যান্ট তৈরির জন্য যে পরিমাণ কাপড়ের প্রয়োজন হয়, তা তৈরি করতে খরচ হয় ২৬০০-৫২০০ গ্যালন জল। অর্থাৎ, প্রায় ১০-২০ হাজার লিটার। হ্যাঁ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই বিপুল পরিমাণ জল সরবরাহিত করা হয় নদী বা হ্রদ থেকে। কোথাও আবার ব্যবহৃত হয় ভূগর্ভস্থ জল। কারণ, জিনস তৈরি ও পরিশোধনের জন্য প্রয়োজন পড়ে মিষ্টি জলের। ফলে জিনস উৎপাদনের কারণে যে জলসংকট প্রকট হচ্ছে দিনে দিনে, তাতে সন্দেহ নেই কোনো।</p>
<div class="news_conadd"></div>
<p>এই ঘটনার অন্যতম উদাহরণ হল আরল সাগর। বর্তমান উজবেকিস্তান তথা সাবেক সোভিয়েত অঙ্গরাজ্যটিতে অবস্থিত এই হ্রদকে কেন্দ্র করেই পঞ্চাশের দশকে গড়ে উঠেছিল প্রকাণ্ড সব জিনস কারখানা। সেইসঙ্গে আরল সাগরের চারপাশে শুরু হয়েছিল কার্পাসের উৎপাদন। বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপারটা লাভজনক হলেও, শেষ পর্যন্ত আরল সাগরের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় জিনস শিল্প। প্রথমত, কার্পাস উৎপাদনের জন্যও প্রয়োজন হয় প্রচুর পরিমাণ জলের। যে-অঞ্চলে কার্পাস চাষ হয়, তা শুকিয়ে যায় দ্রুত। ফুরিয়ে আসে ভূগর্ভস্থ জলের ভাণ্ডার। আরলের ক্ষেত্রেও হয়েছিল এই একই ঘটনা। পাশাপাশ জিনস তৈরির জন্যও আরল সাগর থেকে সংগ্রহ করা হত প্রচুর পরিমাণ জল।</p>
<div class="news_conadd"></div>
<p>এখানেই শেষ নয়, জিনস তৈরি ও পরিশোধনের পর রং, অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ, কীটনাশক মিশ্রিত জলও নিষ্কাশিত করা হত আরল সাগরে। ফলে, ক্রমেই দূষিত হয়ে ওঠে সাগরের জল। হারিয়ে যায় প্রায় ২৪টি প্রজাতির মাছ। উপার্জন হারান হাজার হাজার মৎস্যজীবী। পাশাপাশি স্যাটেলাইট ছবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১৯৫০-২০২০— এই সত্তর বছরের মধ্যে ৯০ শতাংশ জল শুকিয়ে গেছে আরল সাগরের। অন্যদিকে হ্রদের নিচে জমে থেকে রাসায়নিক আজ বালি ও হাওয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে আশেপাশের অঞ্চলে। হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগের কারণ। একই ঘটনা ঘটে চলেছে ব্রাজিলের মাতো গ্রসো নদী তীরবর্তী অঞ্চলে। সেখানেও তুলা চাষের কারণে ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে বিঘার পর বিঘা সাভানা।</p>
<p>এখানেই শেষ নয়। জিনস উৎপাদনের সময় উচ্চমাত্রায় নির্গত হয় গ্রিনহাউস গ্যাস। অপব্যয় হয় শক্তির। পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা যখন জিনসের প্যান্ট কাচেন, তখনও মাইক্রোফাইবার ও রাসায়নিক ছড়িয়ে দূষণ ঘটায় প্রকৃতিতে।</p>
<div class="news_conadd"></div>
<p>বছর কয়েক আগে জিনসের এই ক্ষতিকর প্রভাবগুলি নিয়ে একাধিক গবেষণা প্রকাশিত হওয়ার পর ‘গ্রিন জিনস’ বা পরিবেশবান্ধব জিনস তৈরির কথা ঘোষণা করেছিল বেশ কিছু বৈশ্বিক জিনস উৎপাদনকারী সংস্থা। তবে সেই জিনসের দাম সাধারণ জিনসের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। ফলে, তার উৎপাদন এবং চাহিদা দুই-ই কম। এই উদ্যোগের এক দশক পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিন্দুমাত্র বদলায়নি পরিস্থিতি। বরং, আরও ত্বরান্বিত হয়েছে জিনস-সংক্রান্ত দূষণ। তবে উপায়?</p>
<p>না, একদিনে জিনসের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয় মানব সভ্যতার পক্ষে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, জিনসের পোশাক ধোয়ার হার কমলে, খানিকটা হলেও কম হতে পারে এই দূষণের প্রভাব। তাছাড়া অযথা নতুন জিনস না কিনে, দীর্ঘদিন ধরে জিনস ব্যবহার করলেও কমবে চাহিদা ও উৎপাদন। একইসঙ্গে কমবে দূষণের পরিমাণও। দূষণ নিয়ন্ত্রণে সেটাই প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত মানব সভ্যতার।</p>
<p>Content and Images are copied from Prohor</p>
<p>The post <a href="https://www.newscloud.in/bn/iconic-fashion-item-jeans-causing-heavy-toll-on-environment/">বাস্তুতন্ত্রকে ক্রমশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে জিনস! জানাচ্ছে সমীক্ষা</a> appeared first on <a href="https://www.newscloud.in/bn/home-bn">NewsCloud</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.newscloud.in/bn/iconic-fashion-item-jeans-causing-heavy-toll-on-environment/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাচ নাকি প্লাস্টিক— কোনটির ব্যবহার লাভজনক পরিবেশের জন্য?</title>
		<link>https://www.newscloud.in/bn/glass-or-plastic-which-one-is-better-for-environment/</link>
					<comments>https://www.newscloud.in/bn/glass-or-plastic-which-one-is-better-for-environment/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[NewsCloud Editor]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 May 2023 18:21:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খবর]]></category>
		<category><![CDATA[Environmental Effects]]></category>
		<category><![CDATA[Glass]]></category>
		<category><![CDATA[New Study]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.newscloud.in/?p=88</guid>

					<description><![CDATA[<p>বালিকে কাচে পরিবর্তিত করার সময় তৈরি হয় সিলিকা গুঁড়ো। যা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ায়, ক্রমশ বাড়ছে সিলিকোসিসের মতো দূরারোগ্য রোগের প্রকোপ।</p>
<p>The post <a href="https://www.newscloud.in/bn/glass-or-plastic-which-one-is-better-for-environment/">কাচ নাকি প্লাস্টিক— কোনটির ব্যবহার লাভজনক পরিবেশের জন্য?</a> appeared first on <a href="https://www.newscloud.in/bn/home-bn">NewsCloud</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p></p>


<p>১৮৬৭ সালের কথা। জার্মানির স্পেয়ার শহর থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল প্রাচীন একটি কাচের বোতল। ভেতরে ভরা অজানা এক বিশেষধরনের অ্যালকোহল জাতীয় পানীয়, সম্ভবত ওয়াইন। পরবর্তীতে এই প্রাচীন প্রত্নসামগ্রীটির বিশ্লেষণ করার পর রীতিমতো চমকে ওঠেন গবেষকরা। গবেষণায় উঠে আসে আনুমানিক ৩২৫-৩৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তৈরি করা হয়েছিল কাচের বোতলটিকে। </p>
<p>উল্লেখ্য, এই গবেষণার দৌলতেই বিশ্বের প্রাচীনতম কাচের (Glass) বোতলের তকমা পায় এই বিশেষ প্রত্নসামগ্রীটি। তবে তার থেকেও বড়ো বিষয় হল, এই অধ্যয়ন প্রমাণ করেছিল মাটি কিংবা ধাতুর তৈরি পাত্রের বদলে কাচের তৈরি পাত্র দীর্ঘদিন প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারে অক্ষত হয়ে। অর্থাৎ, তা জৈববিয়োজ্য নয়। অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও অন্যান্য প্রকৃতিক উপাদানের সঙ্গে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে না কাচ। আর সেই কারণেই প্রায় ১৭০০ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আজ অক্ষত অবস্থায় টিকে রয়েছে জার্মানিতে প্রাপ্ত কাচের বোতল। </p>
<p>হ্যাঁ, আধুনিক গবেষণা অনুযায়ী প্রাকৃতিক উপাদানে ভেঙে যেতে কাচের সময় লাগে প্রায় ১০ লক্ষ বছর। যেখানে মাত্র ২০-৫০০ বছরের মধ্যেই ভেঙে যায় প্লাস্টিক। তবে প্লাস্টিকের যেমন মাইক্রোপ্লাস্টিকের মতো উপাদান তৈরি করে দূষিত করে তোলে পরিবেশকে, কাচের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনা নেই। ফলে, খাদ্য বা পানীয় সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যুগের পর যুগ ধরে নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যায় কাচের পাত্র বা বোতল। এমনকি পরিসংখ্যানও বলছে সে-কথাই। কাঠ, প্লাস্টিক এবং কাগজের থেকে সবচেয়ে বেশি পুনর্ব্যবহৃত হয় কাচ। কাচের পুনর্ব্যবহারের হার গড়ে ৭৬ শতাংশ। </p>
<div class="news_conadd"> </div>
<p>স্বাভাবিকভাবেই এই তথ্য থেকে অনেকেরই ধারণা হওয়া স্বাভাবিক, প্লাস্টিকের বদলে কাচের ব্যবহারে বাঁচানো সম্ভব প্রকৃতিকে। এমনকি এক দশক আগে পর্যন্ত তেমনটা মনে করতেন বিজ্ঞানীরাও। তবে সাম্প্রতিক সমীক্ষা ও গবেষণা থেকে উঠে আসছে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষিত। দূষণের ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের থেকে কোনো অংশে কম দায়ী নয় কাচ। সরাসরি না হলেও, পরোক্ষভাবে প্রকৃতিকে প্রভাবিত করে কাচ। কীভাবে?</p>
<div class="news_conadd"> </div>
<p>আসলে কাচের মূল উপাদান হল সিলিকা ও সিলিকা-ডাই-অক্সাইড। যা মূলত তৈরি করা হয় বালি থেকে। কাচ উৎপাদনের জন্য ক্রমাগত উত্তোলন করা হচ্ছে বালি। চলছে অবৈধ খনন। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বর্তমানে পাথরের প্রাকৃতিক ক্ষয় থেকে বালি উৎপাদনের হারকে ছাপিয়ে গেছে বালি খননের হার। যা ত্বরান্বিত করছে ভূমিক্ষয়কে। </p>
<p>এখানেই শেষ নয়। বালিকে কাচে পরিবর্তিত করার সময় তৈরি হয় সিলিকা গুঁড়ো। যা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ায়, ক্রমশ বাড়ছে সিলিকোসিসের মতো দূরারোগ্য রোগের প্রকোপ। বিশেষত কাচ এবং সিমেন্ট শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় এই রোগের প্রভাব লক্ষ করা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে। অন্যদিকে কাচের সামগ্রীকে নতুন চেহারা প্রদান বা পুনরুৎপাদনের জন্য তা গলিয়ে ফেলতে হয় ফার্নেসে। আশ্চর্যের বিষয় হল, অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশনের জন্য যে তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়, তারও থেকেও বেশি রাখতে হয় এই ফার্নেসের উষ্ণতা। ফলে, এই প্রক্রিয়ার ফলে তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ সাউদাম্পটনের গবেষক অ্যালিস ব্রুকের গবেষণা অনুযায়ী, শুধুমাত্র কাচের বোতলকে নতুন আকৃতি দিতেই প্রতি বছর ৬০ মেগাটনের বেশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হয় প্রকৃতিতে। সেইসঙ্গে অপচয় হয় বিপুল পরিমাণ শক্তির। সবমিলিয়ে প্লাস্টিকের থেকে কাচ পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর— এমনটা ভাবার কারণ নেই কোনো। </p>
<div class="news_conadd"> </div>
<p>প্রশ্ন থেকে যায়, তবে এই সমস্যার সমাধান কী? কাচের ব্যবহার কি বন্ধ করে দেওয়া উচিত চিরকালের জন্য? না, এক্ষেত্রে গবেষকরা জানাচ্ছেন, পুনর্ব্যবহারই একমাত্র উপায়। অন্যদিকে কাচের সামগ্রী ভেঙে গেলে তা ফার্নেসে গলিয়ে পুনরুৎপাদন না করে, ফিরিয়ে দেওয়া উচিত প্রকৃতিতে। তাহলেই নিয়ন্ত্রণে আসবে দূষণ।</p>
<p>Content and Images are copied from Prohor</p><p>The post <a href="https://www.newscloud.in/bn/glass-or-plastic-which-one-is-better-for-environment/">কাচ নাকি প্লাস্টিক— কোনটির ব্যবহার লাভজনক পরিবেশের জন্য?</a> appeared first on <a href="https://www.newscloud.in/bn/home-bn">NewsCloud</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.newscloud.in/bn/glass-or-plastic-which-one-is-better-for-environment/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
